ঢাকা, বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

হাতিয়া- ভাসানচর রুটে শুরু হয়েছে যাত্রীবাহী সি-ট্রাক চলাচল

ads

ভাসানচরে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে হাতিয়া- ভাসানচর রুটে শুরু হয়েছে যাত্রীবাহী সি-ট্রাক চলাচল। শনিবার সকালে হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাট থেকে ভাসানচরের উদ্দেশে ছেড়ে যায় এসটি খিজির-৫ নামে একটি সি-ট্রাক। ৪ ডিসেম্বর রোহিঙ্গারা ভাসানচরে অবস্থানের পর থেকে এটি প্রথম যাত্রীবাহী বাহন যাতে ভাসানচরের সাথে জড়িত সকল লোকজন আসা-যাওয়া করতে পারবে।

ভাসানচরে রোহিঙ্গারা আনুষ্ঠানিকভাবে অবস্থান করার পর থেকে গত ৮দিন নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রিত যানবাহনে চলাচল করতে হয়েছে সকলকে। ইতোমধ্যে কেউ ভাসানচর যেতে চাইলে তাকে ব্যক্তিগত যানবাহন ভাড়া করে যেতে হয়েছে। শনিবার ১২ ডিসেম্বর থেকে সাধারণ যাত্রীদের জন্য আনুষ্ঠানিক ভাবে চালু হলো সি-ট্রাকটি।সি-ট্রাকটির ইজারাদার প্রতিষ্ঠান জি এম এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি ফাহিম উদ্দিন জানান, সপ্তাহে দুদিন শনি ও মঙ্গলবার সকালে সি-ট্রাকটি হাতিয়ার চেয়ারম্যানঘাট থেকে ভাসানচরের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। ভাসানচর পৌছানোর পর এক ঘণ্টা অবস্থান করে সি-ট্রাকটি পুনরায় হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটে ফিরে আসবে।

তিনি আরও জানান, প্রথমদিন শনিবার ভাসানচর যাওয়ার সময় কোনো যাত্রী ছিল না। তবে আসার সময় ১৬ জন যাত্রী বহন করে সি-ট্রাকটি। সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক চেয়ারম্যানঘাট থেকে ভাসানচর পর্যন্ত একজন যাত্রীকে গুনতে হবে ৩৭০ টাকা।

এসটি খিজির-৫ এর মাস্টার আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রথমদিনের যাওয়া-আসাতে বোঝা যায় এই রুটে জোয়ার-ভাটার উপর নির্ভর করতে হবে। কারণ নদীতে অনেক ডুবচর রয়েছে।

এ ব্যাপারে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইমরান হোসেন বলেন, বর্তমানে চেয়ারম্যান ঘাট থেকে ভাসানচর রুটে সি-ট্রাকটি চলাচল করবে। যেহেতু ভাসানচরটি হাতিয়া উপজেলা প্রশাসনের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। তাই এই রুটটি চেয়ারম্যান ঘাট থেকে ভায়া হাতিয়ার নলচিরা ঘাট হয়ে ভাসানচর করার জন্য আমি বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলবো।

উল্লেখ্য, প্রথম ধাপে আনুষ্ঠানিকভাবে ৪ ডিসেম্বর কুতুপালং থেকে ১ হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গার একটি দল ভাসানচরে এসেছে। এর মধ্যে শিশু ৮১০ জন, পুরুষ ৩৬৮ জন, নারী ৪৬৪ জন রয়েছে। সরকার ভাসানচরে অবস্থান করা এসব রোহিঙ্গাদের বাসস্থান, খাদ্য ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করেছে।


ads
ads
ads

Our Facebook Page